যে বাংলাদেশি ব্যবসা পরে ERP কেনে, তারা Excel দিয়েই শুরু করেছিল—দ্বিতীয় আউটলেট, দ্বিতীয় এডিটর, বা দুই ক্যাশিয়ার একসাথে শেষ পিস বিক্রি না হওয়া পর্যন্ত কাজ করেছে।
এটা স্প্রেডশিটের বিরুদ্ধে ধর্মোপদেশ নয়। কোথায় তা আর ইনভেন্টরি থাকে না—তার মানচিত্র।
একজন ফাইলের মালিক হলে Excel জিতে
এক গুদাম, একজন রিসিপ্ট টাইপ করে, সে আপডেট না করা পর্যন্ত সেল অপেক্ষা করে—যা ব্যবহার করবেন না এমন সফটওয়্যারের চেয়ে Excel সস্তা ও পরিষ্কার।
দুজন একসাথে স্টক এডিট করলে—বা ক্যাশিয়ারের সংখ্যা দরকার আর ক্রেতা এখনো Google Drive-এ—স্টক বই নেই, কনফ্লিক্ট আছে।
কোম্পানির এক টোটাল স্টক কন্ট্রোল নয়
Quantity কলামের শিট বলে কত আছে। মিরপুরে কত, গুদামে কত বলে না।
Workcel লোকেশন ধরে পরিমাণ রাখে এবং প্রতি POS স্টেশনকে যেখান থেকে বিক্রি হয় সেখানে বাঁধে। Excel আরও ট্যাব দিয়ে নকল করতে পারে—এক সপ্তাহে ট্যাবগুলো আলাদা হয়ে যায়।
ট্রান্সফারে সেল এডিট নয়—ডকুমেন্ট লাগে
গুদাম থেকে দোকানে ৪০ পিস সরানো দুই সারিতে বিয়োগ-যোগ নয়। কারণসহ ট্রান্সফার—যাতে ট্রানজিটে থাকা পণ্য রহস্যময় গর্ত না হয়।
Excel-এ ট্রানজিট সাধারণত ‘রাফি ভ্যানে নিয়েছে মনে হয়।’ স্টক কাউন্টে সে বাক্য টিকে না।
টিল স্প্রেডশিটের জন্য অপেক্ষা করতে পারে না
গতরাতের এক্সপোর্ট শিট থেকে বিক্রি করা রেজিস্টার দুপুরের মধ্যেই অতিরিক্ত বিক্রি করবে। কাউন্টারে লাইভ স্টকই আসল পার্থক্য—সুন্দর চার্ট নয়।
Workcel POS স্টেশনের লোকেশন থেকে বিক্রি করে। Excel ইনভেন্টরি সফটওয়্যার হয় কেউ API হয়ে বসে থাকলে।
কাউন্ট ড্রিফট ধরায়
বার্ষিক Excel কাউন্ট একই শিটে টাইপ করলে কোন আউটলেট সরেছে জানা যায় না। ছোট করে, লোকেশন ধরে গণনা করুন, ভ্যারিয়েন্স রেকর্ড করুন।
‘টোটাল ঠিক দেখানো পর্যন্ত হলুদ সেল ফিক্স’ মানে স্টক গোনা নয়—গল্প এডিট।
কখন Excel-এই থাকবেন
এক লোকেশন, এক এডিটর, দশ সেকেন্ডের মধ্যে সংখ্যা চাই এমন POS না থাকলে থাকুন। ফ্যাশনে স্যুইচ করলে সফটওয়্যার অব্যবহৃত থাকে।
দ্বিতীয় আউটলেট, দ্বিতীয় ক্যাশিয়ার, বা একই ব্যবসায় baaki ও স্টক শিটকে বাধা বানালে সরুন। Workcel সেই বাংলাদেশি আকৃতির জন্য—দিন একটাতে সব স্প্রেডশিট সরিয়ে ফেলার জন্য নয়।
